এই প্রথম বিজ্ঞানীরা মানব মস্তিষ্কের অজ্ঞান হ’তে শুরু করার ছবি তুলতে পেরে বিস্মিত হয়েছেন। ম্যানচেস্টারের রয়্যাল ইনফার্মারির প্রফেসর ব্রায়ান পোলার্ড বলেছেন, অ্যানেস্থেসিয়া বা অজ্ঞান করার ওষুধ রোগীর শরীরে প্রবেশ করানোর পরপরই তারা মস্তিষ্কের স্ক্যান শুরু করে দিয়েছিলেন। দেখা যায়, মানুষটি অজ্ঞান হ’তে শুরু করামাত্রই তার মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ নিউরন বা রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে কথা বলা শুরু করে দিল।
বর্তমানে মস্তিষ্কের স্ক্যান করা বা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের ছবি তোলার যে পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে, তাতে অনেক তথ্য জানা গেলেও মানুষ অজ্ঞান হওয়ার সময় সেই একই মস্তিষ্ক কিভাবে কাজ করে বা আদৌ করে কিনা, সে বিষয়ে তেমন কোন তথ্য জানতেন না বিজ্ঞানীরা। এই প্রথম বোঝা গেল, মানুষ যখন অজ্ঞান হ’তে থাকে, মস্তিষ্ক কিন্তু তখনও সচল থাকে। তার বেশ কিছু অংশ প্রয়োজনীয় কাজ করে যায়। চেষ্টা করে যেতে থাকে শরীরবৃত্তীয় কিছু কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার। নতুন এই জ্ঞান হার্টঅ্যাটাক বা সেরিব্র্যাল জাতীয় অসুখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
No comments:
Post a Comment