
সম্প্রতি জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা আলোর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণই নতুন একটি উৎস উদ্ভাবন করেছেন। আলোর এই উৎসটিকে বলা হয় ফোটনযুক্ত বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট। এটি ফোটন কণা থেকে তৈরি। খবর ইয়াহু অনলাইন-এর।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, আলোর এই উৎসটির আবিষ্কার করা প্রায় অসম্ভব বলেই ধরে নিয়েছিলেন গবেষকরা।
জানা গেছে, আলো তৈরির এই পদ্ধতিটি এক্স-রে রেঞ্জের মধ্যে কাজ করতে সক্ষম লেজার রশ্মি তৈরি করতে পারবে। এ ছাড়াও এই পদ্ধতি ব্যবহার করে শক্তিশালি কম্পিউটার চিপও তৈরি করা যাবে।
গবেষণার ফল প্রকাশিত হবে ‘নেচার’ সাময়িকীতে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, রুবিডিয়ামের অণু শীতলীকরণ করে এবং ক্ষুদ্র পরিসরে ঘনত্ব বাড়ালে রুবিডিয়ামের অণুকে আর আলাদা করা সম্ভব হয়না। এই অণু তখন একটি বিশাল ‘সুপার পার্টিকেল’-এর মতো আচরণ করে। আর এই সুপার পার্টিকেলকেই বলা হয় বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট।
গবেষকদের বরাতে জানা গেছে, ‘লাইট পার্টিকেল’ বা আলোক কণা বা ফোটন হিসেবেও বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট কাজ করে। তবে এই তত্ত¡টির মৌলিক একটি সমস্যা আছে। ফোটন যখন শীতল হয় তখন এই কণা অদৃশ্য হয়ে যায়। আর তাই গবেষকরা আলোর এই কণা শীতলীকরণ অসম্ভব বলেই ধরে নিয়েছিলেন।
গবেষকরা দুইটি উচ্চ প্রতিফলনশীল আয়না ব্যবহার করে দুটি আয়নার মধ্যেই আলোর বাউন্স ফিরিয়ে আনেন। এর ফলে বিপরীত আলোর কণার সংঘর্ষ হয়। এর ফলে ফোটন ধ্বংসের পাশাপাশি আবার নতুন করে তৈরি হয়। এর ফলে ফোটর ফ্লুইডের তাপমাত্রা কমে যায় এবং ‘সুপার ফোটন’ তৈরি হয়।
No comments:
Post a Comment