Saturday, August 27, 2011

সম্প্রতি মহাকাশে আবিষ্কৃত প্রচীনতম পানির উৎস এবং আল কোরআন

এক সময় আল-কেরআনের (১১:০৭) নং আয়াতটি নিয়ে অনেকেই কটাক্ষ করেছে। সৃষ্টির সূচনা লগ্নে যে পানি থাকতে পারে, অবিশ্বাসীরা এমনটি ধারনাই করতে পারত না। ওরা হন্নে হয়ে মাহাকাশে তন্ন তন্ন করে পানি খুঁজে বেড়াচ্ছিল।

সূরা হুদ ( মক্কায় অবতীর্ণ )
(১১:০৭) তিনিই ছয় দিবসে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তখন তাঁর (নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা) আরশ (নিবদ্ধ) ছিল পানির (তরলিত অবস্থার) উপর, তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে আচরণে শ্রেষ্ঠ, আর যদি তুমি তাদেরকে বল যে, "নিশ্চয় মৃত্যুর পরে তোমরা পুনরুত্থিত হবে" তখন অবিশ্বাসীরা অবশ্য বলে যে, "এটা তো স্পষ্ট যাদু/অলীক কল্পনা!";

Caltech-Led Astronomers Discover the Largest and Most Distant Reservoir of Water Yet
"The environment around this quasar is unique in that it's producing this huge mass of water," says Matt Bradford, a scientist at NASA's Jet Propulsion Laboratory (JPL), and a visiting associate at Caltech. "It's another demonstration that water is pervasive throughout the universe, even at the very earliest times."

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা মহাকাশে এমন একটি পানির উৎসের সন্ধান পেয়েছেন যা এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত উৎসগুলোর মধ্যে প্রচীনতম ও বৃহত্তম। এটি কোয়াসার গ্যালাক্সির কেন্দ্রভাগে অবস্থিত কৃষ্ঞগহ্বরকে ঘিরে এক বিশাল এলাকা জুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।

Vast Amount of Water Discovered Circling Distant Quasar

The astronomers say the water vapor they observed was present 1.6 billion years after the formation of the universe in the Big Bang, roughly 13.6 billion years ago. That pushes the existence of water in the universe 1 billion years closer to the Big Bang than any previous find, and it indicates that water has been prevalent in the cosmos almost from the beginning.

পৃথিবী থেকে ১২০০,০০০০০০০ (১২০০ কোটি) আলোকবর্ষ দুরে জলীয়বাষ্পাকারে অবস্থিত এই উৎসটির পানির পরিমাণ পৃথিবীর সবগুলো সাগরে বিদ্যমান পানির পরিমাণের চেয়ে ১৪০ ট্রিলিয়ন (১,৪০,০০,০০০,০০০০০০০) গুণ বেশি এবং যা আযতনে সূর্য অপক্ষো এক লক্ষ গুণ বড়। পানির এই উৎসটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রায় ১০০,০০০০০০০ (১০০ কোটি) বছর পর অর্থাৎ এখন থেকে প্রায় ১৩৬০ কোটি বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া কম হোক আর বেশি হোক, জলীয়বাষ্পের আকারে হোক বা অন্য কোন গঠনে হোক, সৃষ্টির সূচনা লগ্ন থেকেই যে পানি ছিল, বিজ্ঞানীদের গভীর পর্যবেক্ষণের আলোকে সেই ইংগিতই পাওযা যায়।

এখন বাছারা কি বলে? মহাকাশে যে এত বিপুল পরিমাণ পানি আছে যা কিছুদিন পূর্বেও কল্পনা করা সম্ভব ছিল না। খোদ বিজ্ঞানই এবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে সেটা দেখিয়ে দিল। শধু তাই নয়, মহাবিশ্ব সৃষ্টির অতি নিকটবর্তী সময় থেকেই জলীয়বাষ্প কণা রূপে পানির উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা যারা বিশ্বাস করি তাদের কোন সমস্যা যেমন আগেও ছিল না, তেমনি এখনও নেই। কারন স্রষ্টা মহান আল্লাহতায়ালা বিশ্বাসীদের জন্য অনেক আগেই এই অকাট্য বৈজ্ঞানিক তথ্যটি তাঁর প্রেরিত মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে জানিয়ে দিয়েছেন। যা বিজ্ঞান সম্প্রতি আবিষ্কার করল, আমরা কিন্তু তা অনকে আগে থেকেই জানতাম এবং বিশ্বাস করতাম। কারন আমাদের জানবার সোর্সটি তো স্বয়ং স্রষ্টা নিজেই। ওরা আগে বিশ্বাস না করলেও এখন আর না করে তো উপায় নেই। সৃষ্টি কালীন নিকটবর্তী সময়ে পানির উপস্থিতির বিষয়টি তো এখন পরিষ্কার। আকামমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি প্রক্রিয়ার সাথে পানির যোগসূত্র যে অত্যন্ত নিবিঢ় তা মহান স্রষ্টা (১১:০৭) নং আয়াতে অতি সংক্ষেপে অথচ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন । এই আয়াতেই মৃত্যুর পর পুনরুত্থান সম্পর্কেও বলা হয়েছে। যা প্রতিটি মুসলিম মাত্রই ১০০% বিশ্বাস করে। এই বিষয়টি নিয়ে অবিশ্বাসীরা আরও কিছুদিন হাসি-ঠাট্টা করুক এবং দ্বিধায় থাক। এটাও যে ১০০% সত্য ও সম্ভব তা বিজ্ঞানই একদিন ওদের কান ধরে বুঝিয়ে দেবে।

http://www.prothom-aloblog.com/posts/48/134248

No comments:

Post a Comment

Followers

ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!

এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।

গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”

মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”

“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”

“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”

ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–

· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।

আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!

আপনি ঠকবেন না।

আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?

যোগাযোগঃ

Muhmmad Anwarul Hoque Khan

Email: mahkbd@gmail.com

Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657


আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।