Saturday, August 27, 2011
আল-কোরআনের আলোকে প্লেট-টেক্টোনিক্স ও পশ্চিমে সূর্যোদয়
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা ইউনুস- (10.Yunus // Jonah) -আয়াত নং-১০১
(১০ : ১০১) অর্থ- আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তার প্রতি লক্ষ্য কর।
(10 : 101) Say: "Behold all that is in the spaces and on earth"; but neither Signs nor Warnings profit those who believe not.
সূরা জাসিয়া- ( 45.Al-Jathiya // Crouching) -আয়াত নং-৩
(৪৫ : ০৩) অর্থ- নিশ্চয় আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে মুমিনদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে।
(45 : 3) Undoubtedly, there are signs in the spaces and the earth for the believers.
বিজ্ঞান-
বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে আমরা অবগত হয়েছি যে, পৃথিবী ভিতর থেকে বাহিরে ‘কোর’, ‘ম্যান্টেল’ ও ‘ক্রাস্ট’- এই স্তরগুলোর সমন্বয়ে গঠিত। সবচেয়ে বাহিরের স্তর ‘ক্রাস্ট’ এবং এর পরবর্তী স্তর ‘ম্যান্টেলের’ উপরিভাগের কিছু অংশের সমন্বয়ে ‘লিথোস্ফেয়ার’ গঠিত হয়। এর নিচের অংশকে বলে ‘এসথেনোস্ফেয়ার’। ভূ-ত্বক গঠনের আদি পর্যায়ে স্থলভাগ অর্থাৎ মহাদেশগুলো একটি একক ভূ-খন্ড হিসেবে বিরাজ করছিল। কোন এক সময় ভূপৃষ্ঠের ‘লিথোস্ফেয়ার’ কয়েকটি (৭টি) খন্ডে বিভক্ত হওয়ায় মহাদেশগুলো গঠিত হয়েছে এবং “থিওরী অব প্লেট-টেকটোনিক্স” অনুসারে এগুলো ‘এসথেনোস্ফেয়ারের’ কন্ভেকশন কারেন্টের ফলে তার উপর দিয়ে চলতে চলতে একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়ায় ভূপৃষ্ঠ বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে গেছে। এই চলমান নিকটবর্তী খন্ডগুলোর কিনারা কোন কোন স্থানে একে অপরের সাথে ধাক্কা লাগায় সেখানে প্লেটের কিনারা বেঁকে উপরের দিকে উঠে যাওয়ায় পর্বতমালাগুলো গঠিত হয়েছে।
১৬২০ খৃষ্টাব্দে প্রস্তাবিত ও ১৬৬০ - ১৬৭০ খৃষ্টাব্দের মধ্যে আরও নুতন তথ্য-উপাত্যের আলোকে প্রমাণিত এই বৈজ্ঞানিক থিওরিটি প্রায় ১৪৫০ বছর পূর্বেই পবিত্র কোরআনে সংক্ষেপে অথচ এত নিখুঁতভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে যে তা দেখলে সত্যিই বিস্মিত হতে হয়।
আল-কোরআন (Al-Quran):-
সূরা নাযিয়াত- (79.An-Naziat // Those Who Drag Forth) -আয়াত নং (২৯ - ৩২)
(৭৯ : ২৯) অর্থ:- তিনি রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করেছেন সূর্যালোক;
(79 : 29) And He has made its night dark and display bright sunshine.
(৭৯ : ৩০) অর্থ:-এবং পৃথিবীকে এরপর ঠিক ঠাক মত (স্ব-আকৃতিতে) গঠন কোরে (বেশির ভাগ এলাকাকে) সমতল বানিয়েছেন।
[ এই আয়াতে দাহা' শব্দটির অর্থ ঠিক ঠাক করা, সমান করা। এখানে পৃথিবীটাকে যে তার স্ব-আকৃতিতেই ঠিক ঠাক মত গঠন কোরে সবচেয়ে বাহিরের স্তর্ অর্থাৎ 'ক্রাস্ট' দ্বারা ভূপৃষ্ঠকে ঢেকে দিয়ে বেশির ভাগ এলাকাকে সমতল বানানো হয়েছে, সেই ইংগিতই এখানে দেয়া হয়েছে।]
Click This Link
(79 : 30) And after that, He made the earth perfectly (in shape) with its smooth or uniform surface.
(৭৯ : ৩১) অর্থ:-তিনি তা থেকে বের করেছেন এর পানি ও তৃণ,
(79 : 31) He brought forth therefrom its water and its pasture.
(৭৯ : ৩২) অর্থ:- এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রথীত করেছেন।
(79 : 32) And set the mountains firmly;
সূরা রাদ- (13.Ar-Rad // The Thunder) -আয়াত নং-৪
(১৩ : ০৪) অর্থ- পৃথিবীতে আছে পরস্পর সংলগ্ন ভূ-খন্ড এবং সেখানে রয়েরছ আংগুরের বাগান, শস্য-ক্ষেত্র, একাধিক শির-বিশিষ্ট অথবা এক শির-বিশিষ্ট খেজুর বৃক্ষ, একই পানি পান করানো সত্ত্বেও আমি স্বাদে এক ফলকে আরেক ফলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি। অবশ্যই বোধশক্তিসম্পন্ন সমপ্রদায়ের জন্য এতে রয়েছে নিদর্শন।
(13 : 4) And on the earth (surface), there are different pieces of lands (continents) adjacent to each other, and there are gardens of grapes and are corn fields and palm trees growing from one base and separately, all are watered with one water and in fruits, We make one to excel the other. No doubt, in that are signs for wise people.
সূরা ইমরান- (3.Aal-E-Imran //The Family Of 'Imran) -আয়াত নং-২৭
(০৩ : ২৭) অর্থ- তুমি রাতকে দিনে, দিনকে রাতে পরিবর্তন কর,
(03 : 27) You alter the night into day and alter the day into night,
সূরা যুমার- (39.Az-Zumar //The Troops) -আয়াত নং-৫
(৩৯ : ০৫) অর্থ- তিনি সুপরিকল্পিতভাবে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা,
(39 : 5) He made the spaces and earth with perfect planning. He conceals the night by the day and He conceals the day by the night and He has employed the sun and the moon into service. Each moves to an appointed term. Do you hear? He is the Dignified, the Forgiving
সূরা রাহ্মান- (55.Ar-Rahman //The Beneficent) -আয়াত নং-১০
(৫৫ : ১০) অর্থ:- তিনিই ভূপৃষ্ঠকে জীবের জন্য প্রসারিত করে দিয়েছেন।
(55 : 10) And He has spread out the surface of the earth for the living creatures.
সূরা হিজর- (15.Al-Hijr //Rock City) -আয়াত নং-১৯
(১৫ : ১৯) অর্থ:- আমরা (সম্মান সূচক) ভূপৃষ্ঠকে বিস্তৃতভাবে প্রসারিত করে দিয়েছি এবং এতে পাহাড় স্থাপন করেছি এবং এতে প্রত্যেক বস্তু উদগত করেছি সুপরিমিতভাবে।
(15 : 19) And We have spread out the surface of the earth and put therein mountains, and caused to grow therein everything proportionately.
সূরা নাবা- (78.An-Naba //The Tidings) -আয়াত নং-০৬ ও ০৭
(৭৮ : ০৬) অর্থ:- আমরা (সম্মান সূচক) কি ভূপৃষ্ঠকে বিস্তৃত
(78 : 06) Have We not spread out the surface of the earth,
(৭৮ : ০৭) অর্থ:- এবং পর্বতকে খুঁটি বা কীলক সদৃশ করিনি ?
(78 : 07) And the mountains as stakes?
সূরা আল আম্বিয়া- (21.Al-Ambiya //The Prophets) -আয়াত নং-৩১
(২১ : ৩১) অর্থ:- আমরা (সম্মান সূচক) ভূপৃষ্ঠে দৃঢ়ভাবে দন্ডায়মান পর্বতমালা পরিগঠন করেছি, যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে না নড়ে।
(21 : 31) And We made the mountains steadily standing on their legs on the earth, lest it should move away with you,
সূরা নমল্- (27.An-Naml //The Ant) -আয়াত নং-৬১
(২৭ : ৬১) অর্থ:- সৃষ্টি করেছেন তনি, যিনি পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং এর মাঝে মাঝে প্রবাহিত করেছেন নদী-নালা, এতে সূদৃঢ় পর্বত ও দুই সাগরের মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি করেছেন; তথাপি আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন উপাস্য আছে কিনা সে সম্পর্কে ওদের অনেকেই সন্দিহান।
(27 : 61) And He created, Who made the earth for habitation and often used to flow the rivers and streams within it and made for it steady mountains and a barrier between the two seas. Is there any other god along with Allah? Nay! Most of them know not.
আলোচনা-
(৭৯:২৯) নং আয়াতে একটি ছোট্ট ইংগিতের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রি এবং সূর্যালোক উজ্বল দিনের প্রকাশ ঘটানোর বিষয়ে তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এর সাথে (১৩:৪) ও (৩:২৭) নং আয়াতের বর্ণনা অনুসারে একই সময়ে রাতকে দিন ও দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করে পরিবর্তনের বিষয়টি তখনই সম্ভব হতে পারে যখন কোন গোলাকার বস্তুকে একটি আলোক উৎসের সামনে ঘোরান হবে। যেমন অন্ধকার ঘরে একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে তার সামনে যদি একটি গ্লোবকে ঘোরান হয় তবে গ্লোবের যে অংশটি মোমবাতির সামনে আলোকময় ছিল তা সরে গিয়ে গ্লোবের পিছনের দিকে অর্থাৎ বিপরীত দিকে চলে আসায় সেই অলোকিত অংশটি অন্ধকারে আচ্ছাদিত হতে থাকবে অর্থাৎ সেদিকে হবে রাত। অন্যদিকে গ্লোবের যে অংশে অন্ধকার ছিল তা ঘুরে গিয়ে মোমবাতির সামনে আসতে থাকবে। ফলে সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশটি মোমবাতির আলোয় আচ্ছাদিত হবে অর্থাৎ সেদিকে তখন দিন প্রকাশ পেতে থাকবে। আমাদের এই পৃথিবীতে পর্যায়ক্রমে রাতকে দিন ও দিনকে রাতের দ্বারা আচ্ছাদিত করে পবির্তনের বিষয়টি যে সূর্যের সামনে ভূ-গোলকের নিজ অক্ষের উপর ঘূর্ণনের ফলেই সম্ভব হচ্ছে তা আজ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে। আমরা জেনেছি যে, ভূত্বক গঠনের আদি পর্যায়ে মহাদেশগুলো একক ভূখন্ড রূপে বিরাজ করছিল। (১৫:১৯), (১৩:৪) ও (৭৮:০৬) নং আয়াতের বর্ণনা অনুসারে, অতঃপর ভূপৃষ্ঠের প্রসারণ ঘটে অর্থাৎ একতরফা মরুকরণের হাত থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে একক ভূখন্ড রূপে বিরাজমান স্থলভাগকে একদা আল্লাহতায়ালার ইচ্ছায় (১৩:০৪) পরস্পর সংলগ্ন কয়েকটি খন্ডে বিভক্ত করায় মহাদেশগুলো গঠিত হয়ে (৭৮:০৬) ভূ-গোলকের চতুর্দিকে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পরে। সেইসাথে জীবন ধারনের জন্য সহজতর কোরে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেশির ভাগ এলাকা সমতল বানিয়ে ভূ-পৃষ্ঠকে তার স্ব-আকৃতিতে ঠিক ঠাক মত গঠন কোরে 'ক্রাস্ট' দ্বারা কার্পেটের মত ঢেকে দেয়া হয়েছে। (২৭:৬১), (৭৯:৩১) ও (৫৫:১০) নং আয়াত থেকে এই ইংগিত পাওয়া যায় যে, এরপর পরস্পর সংলগ্ন খন্ডে খন্ডে বিভক্ত মহাদেশগুলোর মাঝে আল্লাহতায়ালা (২৭:৬১) সাগর ও নদী-নালা প্রবাহিত করার ব্যবস্থা করেছেন। ফলে স্থলভাগের অধিকাংশ এলাকা (৭৯:৩১) পানি সিঞ্চিত ও উর্বরতা প্রাপ্ত হয়। অতঃপর সেই উর্বর ভূমিতে একদা আল্লাহর ইচ্ছায় তৃণ জাতিয় উদ্ভিদের জন্ম ঘটে এবং জীব জগতের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে উঠে। সুতরাং (১৫:১৯), (৭৮:০৬) ও (৭৯:২৯) নং আয়াত থেকে অনুমান করা যায় যে, নিজ অক্ষের উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির কারণে পর্যায়ক্রমে রাত ও দিনের প্রকাশ ঘটেছে এবং একক ভূখন্ড রূপে বিরাজমান স্থলভাগ কয়েকটি খন্ডে বিভক্ত হওয়ায় ভূপৃষ্ঠের প্রসারণ ঘটেছে। খন্ডে খন্ডে বিভক্ত ‘লিথোস্ফেয়ারের’ চলমান পরস্পর সংলগ্ন প্লেটগুলো কোন কোন স্থানে একে অপরের সাথে ধাক্কা লাগায় সেখানে প্লেটের কিনারা বেঁকে উপরের দিকে উঠে যাওয়ায় পর্বতমালাগুলো গঠিত হয়েছে। (৭৯:৩২), (২১:৩১) ও (৭৮:৬,৭) নং আয়াতগুলো থেকে অনুমান করা যায় যে, পরস্পর সংলগ্ন যে প্লেটগুলো সংযুক্ত থাকা প্রয়োজন সেগুলো যেন দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থাকে ও (২৭:৩১) সহজে নড়ে-চড়ে সরে গিয়ে জীবনযাত্রার ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পর্বতগুলোকে ভূপৃষ্ঠের গভীর স্তর থেকে এমনভাবে গঠন করা হয়েছে যে সেগুলো (৭৮:৭) খুঁটি বা কীলকের মত ভূমিকা পালন করছে। পর্বতগুলোকে দৃঢ়ভাবে (৭৯:৩২) প্রথীত ও স্থাপন করার কারণে যে ভূপৃষ্ঠ অর্থাৎ মহাদেশগুলো স্থিতিলাভ করেছে এবং জীব জগতের জন্য (২৭:৬১) বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে উঠেছে তা আজ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা রাদ- (13.Ar-Rad //The Thunder) -অয়াত নং-৪১
(১৩ : ৪১) অর্থ:- তারা কি এই ভূপৃষ্ঠকে লক্ষ্য করে না ? নিশ্চয়ই আমরা (সম্মান সূচক) এর সমুদয় প্রান্ত হতে একে সংকুচিত করে আনছি।
(13 : 41) Do they not observe the earth surface that Undoubtedly, We are compressing it from its all edges? And Allah commands, there is none to put back His command, and He is swift in reckoning
পূর্বের বর্ণনা হতে আমরা জেনেছি যে, জীব জগতের কল্যাণে ও পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার জন্য মহাদেশগুলো একদা ভূগোলকের সমূদয় প্রান্তে ছড়িয়ে দেয়ায় তা প্রসারিত যমীন রূপে বিরাজ করছিল। এই আয়াতটি থেকে সম্ভবত এই ইংগিতও পাওয়া যায় যে, ইতিমধ্যেই হয়ত সেই প্রসারিত যমীন কোন এক সময় থেকে আল্লাহতায়ালার আদেশে সমুদয় প্রান্ত অর্থাৎ সবদিক থেকে পূনরায় সংকুচিত হতে শুরু করেছে। ক্রমান্বয়ে এ ভূপৃষ্ঠের গঠনগত যে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে চলেছে তা এ পৃথিবীর সর্বত্র আবহাওয়া ও প্রকৃতিক বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রতি লক্ষ্য করলে এবং তা নিয়ে গবেষণা চালালে সহজেই অনুমান করা যায়। ধীরে ধীরে বা হঠাৎ করেই হয়ত ‘লিথোস্ফেয়ারের’ খন্ডগুলো ( মহাদেশগুলো ) ভূগর্ভস্থ তাপ, চাপ, বায়ুমন্ডলের পরিবর্তন ও অন্যান্য কারণে পরস্পরের কাছাকাছি এসে সংকুচিত যমীন রূপে অর্থাৎ একটি বা দুটি ভূখন্ড রূপে ভূগোলকের একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। বিজ্ঞানও কিন্তু একই অভিমত ব্যক্ত করেছে। তখন আগের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় নিজ অক্ষের উপর পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন গতি এবং কক্ষপথ পরিক্রমায় কিছুটা পরিবর্তন ঘটতে পারে। সেইসাথে নিজ কক্ষপথে সূর্যের চলার যে সাধারন ও স্বাভাবিক ধরন ও নিয়ম, আল্লাহতায়ালার আদেশে (সৌরজগতের নিকটবর্তী কোন কৃষ্ণগহ্বরের আকর্ষণে) তার পরিবর্তন ঘটায় সূর্যটা পশ্চিম দিক থেকে উদিত হতে দেখতে পাওয়া যাবে।
কিয়ামত ঠিক কোন নির্দিষ্ট মূহুর্তে সংঘটিত হবে তার সঠিক জ্ঞান একমাত্র সর্বজ্ঞ মহান আল্লাহর নিকটেই আছে। তথাপি কিয়ামতের কিছু পূর্বলক্ষণ বিশ্বাসীগণের জ্ঞাতার্থে পবিত্র কোরআন ও হদিছে উল্লেখ করা হয়েছে। উপরে বর্ণীত সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার এই প্রাকৃতিক পূর্বলক্ষণটি সর্বশেষ নবী রাসূলুল্লাহ্ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এভাবে বর্ণনা করেছেন-
আল-হাদিছ (Hadith)-
(মুসলীম শরীফ -১ম-খন্ড)-ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ-২৩০পৃষ্ঠা {পশ্চিমাকাশে সূর্য উদয়ের পূর্বে কিয়ামত সংঘটিত হবে না, আর যখন পশ্চিম গগণে সূর্য উদিত হবে তখন সকল মানুষ একত্রে ইমান আনবে। কিন্তু যে ইতিপূর্বে ইমান আনে নাই অথবা ইমান অনুযায়ী নেক কাজ করে নাই, সে সময় ইমান আনায় তার কোন উপকার হবে না।}
(Muslim Shorif-1rst part)-Islamic Foundation, Bangladesh - page no. 230 - { Universal cataclysm will not be happened before sunrise in the West, and when the sun will rise in the West then all the human beings will believe in Allah. But who did not believe before this or did not do good according to believe, at that time this type of believe will not be beneficial for him/ her.}
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বিভিন্ন নিদর্শনগুলো সম্পর্কে আল-কোরআন ও হাদিছে প্রদত্ত ইংগিতগুলো সত্য হিসেবে প্রতীয়মান হবার পরও অনেকেই আল্লাহতায়ালার বিধানকে অবজ্ঞা করে ও বিরোধিতায় লিপ্ত থাকে। এদের মত ভুলপথে না চলার জন্য মহান স্রষ্টা তাঁর বান্দাদেরকে বারবার সাবধান করে দিয়েছেন-
আল-কোরআন (Al-Quran)-
সূরা ইমরান- (3.Aal-E-Imran //The Family Of 'Imran) -অয়াত নং-১০৫
(০৩ : ১০৫) অর্থ:- আর তাদের মত হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং নিদর্শনসমূহ আসার পরও বিরধিতা করতে শুরু করেছে, তাদের জন্য রয়েছে ভয়ঙ্কর শাস্তি।
(03 : 105) And be not like those who were divided (in sections) and disagreed among themselves, after this that bright signs had come to them and for them there is mighty torment.
অন্তরের ভুল ভেঙ্গে যাবার পর যারা সরল ও সত্য পথে ফিরে আসতে চায়, তাদের প্রতি আল্লাহতায়ালা রাহমানুর রহীম ক্ষমার হাত প্রসারিত করে দেন এবং বলেন-
সূরা ইমরান- (3.Aal-E-Imran //The Family Of 'Imran) -আয়াত নং-৮৯
(০৩ : ৮৯) অর্থ:- কিন্তু যারা অতঃপর তওবা করে নেবে ও সৎকাজ করবে তারা ব্যতীত। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
(3 : 89) But those who repented thereafter and amended themselves, then necessarily, Allah is Forgiving, Merciful.
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mahfuzhappy/29179977
Followers
ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!
এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।
গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”
মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”
“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”
“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”
ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–
· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।
আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!
আপনি ঠকবেন না।
আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?
যোগাযোগঃ
Muhmmad Anwarul Hoque Khan
Email: mahkbd@gmail.com
Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657
আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।
No comments:
Post a Comment