
সম্প্রতি মেক্সিকোর প্রত্নতাত্ত্বিকেরা জানিয়েছেন, লাউডস্পিকার, সাব উফার কেবল আধুনিক যুগের বিস্ময়ই নয়, বরং হাজার বছর আগের মায়া সভ্যতার মন্দিরগুলোতেও লাউডস্পিকার ব্যবহৃত হতো। বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দর্শকদের একস্থানে জড়ো করতে মন্দিরের এই লাউডস্পিকার ব্যবহার করা হতো। খবর ইসায়েন্স অনলাইন-এর।
ইউনিভার্সিডাড ন্যাশিওনাল অটোনোমা দ্য মেক্সিকোর প্রত্ত্বতাত্ত্বিক ফ্রান্সিসকা জালাকুয়েত জানিয়েছেন, বর্তমানের মেক্সিকোর কেন্দ্রে অবস্থিত প্রাচীন মায়া শহর পালেঙ্ক-এর মন্দিরগুলোতে সাধারণ জনগণকে একত্রিত করতে এই লাউডস্পিকার ব্যবহার করা হতো। এতে অনেক দূর থেকে শব্দ শোনা যেতো।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি মেক্সিকোর প্রত্ত্বতাত্ত্বিককেরা মায়া শহর পালেঙ্ক এর একটি মন্দির খুঁজে পেয়েছেন। এটি ৬০০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত। আর এখানেই এই লাউডস্পিকারের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। জানা গেছে, এই লাউডস্পিকার তৈরি হয়েছিলো বিভিন্ন সংঙ্গীতযন্ত্রের সাহায্যে।
উল্লেখ্য, মায়ারা বিভিন্ন ধরণের বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতো। এর মধ্যে ছিলো বাঁশি, ঝিনুকের তৈরি নানারকম বাদ্যযন্ত্র, কচ্ছপের খোলের তৈরি বাদ্যযন্ত্র ছাড়াও কুমড়ার খোলের মধ্যে পাথর বা কোনো শক্ত বীজ ঢুকিয়ে এসব বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হতো।
No comments:
Post a Comment