
গড পার্টিকেল বা ‘ঈশ্বর কণা’ খোঁজ করার লক্ষ্যে সার্ন-এর গবেষকরা লার্জ হার্ডন কোলাইডারে মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন। সে কণার খোঁজ আদৌ পাওয়া গেছে কি-না সে বিষয়ে গবেষকরা মুখ খোলেন নি। তবে, সম্প্রতি গুজব রটেছে গবেষকদের হাতে চলে এসেছে সেই অনাবিষ্কৃত রহস্যের সমাধান, পাওয়া গেছে ঈশ্বর কণা। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।
স্কটল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস এর নামে নামকরণ করা হিগস বোসন কণাটি এখনো অনাবিষ্কৃত। তিনি ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসাবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। আর যার ফলে সম্ভব হয় এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সম্প্রতি সার্নের লার্জ হার্ডন কোলাইডারে কর্মরত গবেষকদের অভ্যন্তরীণ এক মেমো ফাঁস হয়ে যাওয়ায় হিগস বোসন কণা আবিষ্কার হবার এই গুজব ডালপালা ছড়িয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া মেমো থেকে দেখা গেছে, উচ্চশক্তির দুটি ফোটন কণা ধ্বংস হয়ে তৈরি হয় হিগস বোসন কণা।
কীভাবে পদার্থ তৈরি হয় সে বিষয়টি জানতে এই কণার খোঁজে ৬ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে জেনেভার নিকটস্থ ভূগর্ভে বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন গবেষকরা।
এদিকে, সার্ন কর্তৃপক্ষ ফাঁস হয়ে যাওয়া তথ্য বিষয়ে বলেছে, এটি মূলত গুজব। এ ধরনের কণা এখনও পাওয়া যায়নি। আর যা পাওয়া গেছে তা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হবে এটি সত্যিই ঈশ্বর কণা কিনা।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যে মেমোটি ফাঁস হয়েছে সেটি সার্নের অ্যাটলাস পরীক্ষায় সঙ্গে যুক্ত চারজন গবেষকের তৈরি। উল্লেখ্য, অ্যাটলাস প্রকল্পে ৩ হাজারেরও বেশি গবেষক কাজ করছেন।
No comments:
Post a Comment