
ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারের ‘স্টোনহেঞ্জ’ হিসেবে পরিচিত পাথরের স্তম্ভগুলো কেনো নির্মাণ করা হয়েছিলো সেটি গবেষকদের কাছে এক অজানা রহস্যই থেকে গেছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের গবেষকরা স্টোনহেঞ্জের সেই রহস্যভেদ করতেই স্তম্ভগুলো লেজার স্ক্যান করছেন। খবর বিবিসি অনলাইন-এর।
স্টোনহেঞ্জ মূলত নিওলিথিক এবং ব্রোঞ্জ যুগের অনেকগুলো পাথুরে মুর্তি। গোটা স্থাপনা মানমন্দির বা ক্যালেন্ডার হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলেই ধারণা করা হয়।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, স্টোনহেঞ্জে গোপন কোনো সূত্র লুকিয়ে আছে কিনা সেটি খুঁজে বের করতেই আধুনিক লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন গবেষকরা। দাঁড়ানো এবং পড়ে থাকা পাথরের গাঁয়ে আঁকা খোদাই এবং মুখের আদলও জরিপ করার কাজ করছেন তারা।
গবেষকরা জানিয়েছেন, স্টোনহেঞ্জে প্রাচীন রক আর্টের পাশাপাশি আধুনিক নকশারও খোঁজ করবেন তারা।
উল্লেখ্য, প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, বিশালাকৃতির পাথর ব্যবহার করে বানানো এই বৃত্তাকার জায়গাটি প্রাচীনকালে ঋতু চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করা হতো। ধারণা করা হয়, এটি ৩০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের কাছাকাছি সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল এবং নবপোলীয় মানুষেরা ৩২০ ফুট ব্যাসের একটি বৃত্তাকার পরিখা খনন করেছিল হরিণের শিং ব্যবহার করে। তারপর ২০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের কাছাকাছি সময়ে ৬০ টি ব্লুস্টোন দ্বারা খাড়াভাবে নির্মিত হয় স্টোনহেঞ্জ।
এ স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয় ব্রোঞ্জ যুগে। সে সময়ে স্টোনহেঞ্জের মাধ্যমেই সূর্যের অবস্থান দেখে সেই সময়ের মানুষেরা ঋতু নির্ণয়ের কাজটি করতো বলে ধারণা করা হয়।
No comments:
Post a Comment