
সম্প্রতি জানা গেছে, রাশিয়ার কেন্দ্রীয় মহাকাশ সংস্থা ২০২৯ সালে পৃথিবীর নিকটে আসা গ্রহাণুগুলোর মধ্যে একটির পথ বদলে দেবে। খবর বিবিসি অনলাইনের।
বিবিসির বরাতে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় মহাকাশ সংস্থার প্রধান আনাতোলি পারমিনভ ভয়েস অব রাশিয়া রেডিওকে জানিয়েছেন, তার সংস্থার অধীনস্থ বিজ্ঞান কাউন্সিল অতি দ্রুত এই বিষয়ে একটি আলোচনায় বসবে। তারপর সবাই মিলে একটি সর্বোসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে জানিয়েছিলো যে, ২০৩৬ সালে ‘অ্যাপোপহিজ’ নামের একটি গ্রহাণুর পৃথিবীতে আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। তবে প্রতি ২ লাখ ৫০ হাজার এমন আশঙ্কার মধ্যে আঘাত হানতে পারার সম্ভাবনা কেবল ১টিরই।
বিবিসি জানিয়েছে, আগের এক হিসেবে এই ধরনের সংঘর্ষ প্রতি ৪৫ হাজার বারের মধ্যে কেবল ১ বার ঘটতে পারে বলেই জানানো হয়েছিলো। তাই মার্কিন মহাকাশ গবেষকদের এই নতুন হিসেব আশঙ্কাকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালে এ গ্রহাণুটি ৩০ হাজার কিলোমিটার সীমার মধ্যে পৃথিবীকে অতিক্রম করবে।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় মহাকাশ সংস্থার প্রধান পারমিনভ তার সংস্থার পরিকল্পনা সম্পর্কে মুখ না খুললেও ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থাটির বরাতে জানা গেছে, এই সমস্যার সমাধানে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
অতীতে গ্রহাণুকে দিকভ্রষ্ট করতে যেসব পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো তার মধ্যে ছিলো মহাশূণ্যযানের সঙ্গে সংঘর্ষ। এ পদ্ধতিতে প্রচন্ড গতিতে আঘাত করে গ্রহাণুগুলোর লক্ষ্য বদলে দেয়া হতো। আরো ব্যবহার করা হতো ‘সোলার সেল’ যা মূলত সৌরবাতাস প্রবাহের মাধ্যমে গ্রহাণুর দিক বদল করে দিতো।
No comments:
Post a Comment