

মায়া সভ্যতার বিভিন্ন বইতে নাকি লেখা আছে ২০১২ সালেই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু এটি স্রেফ গুজব বলেই মন্তব্য করেছেন মেক্সিকান গবেষক কার্লোস পালান। তিনি জানিয়েছেন ২০১২ সালে সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে এমন কথা ১৫ হাজার মায়ান বইয়ের কোথাও লেখা নেই। এটি কেবল ১৯৭০ সালে দুর্বোধ্য কিছু লেখা থেকে ছড়ানো গুজব। খবর ডেইলি মেইলের।
সংবাদ মাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, গবেষক কার্লোস পালান মেক্সিকোর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানথ্রপলজি অ্যান্ড হিস্ট্রি অফ মেক্সিকো-এর একুইস মায়া হাইরোগ্লাফিক এবং আইকোনোগ্রাফিক (আজিমায়া)-এর পরিচালক।
পালান জানিয়েছেন, মায়ান সভ্যতার কেবল ২টি লেখায় ২০১২ সালের উল্লেখ পাওয়া যায় কোনো একটি পর্বের সমাপ্তি হিসেবে, তবে এটি মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিত হতে পারে আবার না-ও হতে পারে।
পালান এর বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রাচীন মায়ারা চক্র দিয়ে সময় নির্ধারণ করতো, এক এক চক্রের আলাদা নামও ছিলো এবং বিভিন্ন প্রাণীর ছবি এঁকে তা চিত্রিত করে রাখতো।
গুজব রটেছে, চক্র শেষ হলে ধারণা করা হয় গ্যালাক্সির কেন্দ্রে একটি ব্ল্যাকহোল তৈরি হবে এবং সূর্যের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে। আর এসব গুজব ছড়িয়েছে ১৯৭০ সালের দুবোর্ধ্য কিছু লেখা। যেখানে বলা হয়েছে মায়া ক্যালেন্ডারের সঙ্গে ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর তারিখটি মিলে যায়। তাই ঐ দিনই ধ্বংস হবে পৃথিবী।
কিন্তু পালান জানিয়েছেন, মায়ারা কোথাও সেরকম ইঙ্গিত করেনি। এমনকি কখনও ভাবেওনি আমাদের বর্তমান সময়ে এসে সময়ের যাত্রা থেমে যাবে। এ থেকেই বোঝা যায় মায়াদের সময় সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতনতা ছিলো, এমনকি তারা গনিত এবং লেখাতেও যথেষ্ট উন্নত ছিলো।
পালান জানিয়েছেন, বর্তমান বৈজ্ঞানিক হিসেবে সঠিক জ্যোতিষচক্র পূর্ণ হবে ২৩ ডিসেম্বর।
No comments:
Post a Comment