Friday, August 5, 2011

আর্জেন্টিনার লেক ডায়ামান্তেই মঙ্গলের প্রাণসূত্র!


সম্প্রতি আর্জেন্টিনার গবেষকরা জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনার উত্তর পশ্চিমের দূর দুর্গম লেকেই থাকতে পারে পৃথিবীর জীবন কিভাবে শুরু হয়েছে বা অন্যান্য গ্রহে প্রাণ কিভাবে টিকে আছে সেই সূত্র। খবর ইয়াহু অনলাইনের।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, আর্জেন্টিনার এই লেকটির নাম লেক ডায়ামান্তে। এই লেকটিতে গবেষকরা লাখো ‘সুপার’ ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ পেয়েছেন যেগুলো অক্সিজেনবিহীন লেকটিতে বেঁচে-বর্তে আছে। আর এই লেকটি বিশাল আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের কেন্দ্রে অবস্থিত। লেকটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ৪০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।

গবেষকরা জানিয়েছেন, লেক ডায়ামান্তে টিকে থাকা অর্থ আদিম পৃথিবীতে টিকে থাকা। অক্সিজেনবিহীন এই পরিবেশে আছে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক এবং অ্যালকালাইন স্তর। আর এর ফলে সেখানে সূর্যের আলোও পৌঁছাতে পারে না।

ডায়ামান্তে লেকে প্রাণের উৎপত্তি বিষয়ে গবেষণা করেছেন আর্জেন্টিনার টুকুমান প্রদেশের ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল-এর গবেষক মারিয়া ইউজেনিয়া ফ্যারিয়াস।

মারিয়া জানিয়েছেন, অতীতের সূত্র জানতে এবং অ্যাস্ট্রোবায়োলজির জন্য লেক ডায়ামান্তে আদর্শ হতে পারে। তত্ত্বমতে, এই পরিবেশে যদি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে তবে মঙ্গল গ্রহের কোথাও প্রাণের উৎপত্তি ঘটতে পারে।

মারিয়া আরো জানিয়েছেন, লেক ডায়ামান্তে বাস করা ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ‘পলিএক্সট্রিমোফাইলস’ বলা হয়। এই লেকের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা সাধারণ পানির তুলনায় ২০ হাজার গুণ বেশি। আর তাপমাত্রা সব সময় শূন্যের নীচে থাকে। তারপরও এই লেকের পানি জমে যায় না । কারণ এতে লবনাক্ততা খুবই বেশি। এমনকি সমুদ্রের পানির চেয়েও ৫ গুণ বেশি। তাই এতে বরফ জমে না। আর ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর জন্য আদর্শ পরিবেশ এটি।

No comments:

Post a Comment

Followers

ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!

এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।

গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”

মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”

“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”

“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”

ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–

· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।

আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!

আপনি ঠকবেন না।

আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?

যোগাযোগঃ

Muhmmad Anwarul Hoque Khan

Email: mahkbd@gmail.com

Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657


আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।