Saturday, August 27, 2011
আল-কোরআনের আলোকে জ্যোতির্ময়
আল-কোরআন-
সূরা ইউনুস-আয়াত নং-০৫
(১০:০৫) অর্থ:- তিনিই তো সূর্যকে (দিয়া অর্থাৎ তেজোদ্দীপ্ত বা জলন্ত প্রদীপের আলোর ন্যায়) আলো/চমক/ঝলক ও চাঁদকে (নূর অর্থাৎ অন্যের আলোয় বা সূর্যের আলোর কারণে) আলোকিত/আলো/আলোর কিরণ হিসেবে স্থাপন করেছেন বা বানিয়েছেন এবং তার জন্য অবস্থানগুলো নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন যেন তোমরা বছরের গণনা ও সময়ের হিসাব ঠিকমত জানতে পার; আল্লাহ এসব অনর্থক সৃষ্টি করেন নি। যারা জানতে চায় তাদেরকে তিনি এই নিদর্শন বা আয়াতগুলোর বিশদ বিবরণ জানিয়ে দেন।
(১০:০৫) নং আয়াতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, প্রথমে সূর্য ও চাঁদ উভয়কেই আলো অর্থাৎ উজ্জ্বল কিছু হিসেবে উল্লেখ করা হলেও সূর্যের ক্ষেত্রে ‘দিয়া’ শব্দটি এবং চাঁদের ক্ষেত্রে ‘নূর’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, বাহ্যিক দৃষ্টিকোন থেকে সূর্য ও চাঁদ উভকেই তো আলো কিংবা উজ্জ্বল বা জ্যোতির্ময় আসমানী বস্তু হিসেবে ধরা যায়। সুতরাং দুটির ক্ষেত্রেই তো দিয়া এবং নূর এই দুটি শব্দের মধ্য থেকে যে কনো একটি শব্দ বেছে নিয়ে তা ব্যবহার করলেই হত। কিন্তু তা না করে স্রষ্টা মহান আল্লাহ সূর্য ও চাঁদকে দু’ধরনের আলো হিসেবে উপস্থাপন করলেন কেন? কারণ এগুলো যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি তো ভাল করেই জানেন কোনটির আলো কিরূপ। আসলে প্রথমত এভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে যারা সত্যান্বেষী তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পাশাপাশি এনিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।
সূরা ফুরকান-আয়াত নং-৬১
(২৫ : ৬১) অর্থ:- কত মহান তিনি যিনি আকাশে স্থাপন বা পরিগঠন করেছেন (বুরুজ) তারকার ঘরসমূহ বা গ্যালাক্সিগুচ্ছ এবং তাতে স্থাপন করেছেন প্রদীপ (সূর্য) এবং আলো/ আলোর কিরণ/আলোকিত চন্দ্র।
সূরা নূহ-আয়াত নং-১৫, ১৬
(৭১ : ১৬) অর্থ:- যেথায় চন্দ্রকে স্থাপন করেছি আলো/আলোর কিরণ/ আলোকিত রূপে এবং সূর্যকে স্থাপন করেছি প্রদীপরূপে।
সূরা নাবা- আয়াত নং- ১২ ও ১৩
(৭৮:১২) অর্থ:- এবং আমরা তোমাদের উপরে সাতটি মজবুত (স্তর) বানিয়েছি,
(৭৮:১৩) অর্থ:- এবং তাতে স্থাপন করেছি জ্বলন্ত প্রদীপ।
এরপর (২৫:৬১), (৭১:১৬) ও (৭৮:১৩) নং আয়াতে বিষয়টিকে আস্তে আস্তে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে (২৫:৬১) ও (৭১:১৬) নং আয়াতে সূর্যের আলোর প্রকৃত রূপকে আরও পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য ‘সিরাজ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। যার অর্থ প্রদীপ বা বাতি। আবার (৭৮:১৩) নং আয়াতে এর সাথে ‘ওয়াহহাযা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সূর্যটা যে আসলে জ্বলন্ত প্রদীপ বা বাতি বা মশালের ন্যায় জ্বলন্ত আসমানী বস্তু তা পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।
আগেই বলেছি, (১০:০৫) নং আয়াতে সূর্য ও চাঁদের আলোকে একই শব্দ দিয়ে না বুঝিয়ে ভিন্ন দুটি শব্দ ‘দিয়া’ ও ‘নূর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা কেন এমনটি করলেন তা পরবর্তীতে আরও খোলাসা করে দিলেন। যেন ধৈর্যশীল পাঠকরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করার সাথে সাথে আরও ভালভাবে বুঝতে পারে। এখন যদি চাঁদের কথা ভাবা যায় তবে দেখা যাবে (১০:০৫) নং আয়াতে চাঁদকে প্রথমত ‘নূর’ অর্থাৎ আলো বলা হলেও পরবর্তীতে (২৫:৬১) নং আয়াতে ‘মুনীর’ অর্থাৎ আলোকময় বা জ্যাতির্ময় বা উজ্জ্বল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সূর্যের আলোকে যেমন জ্বলন্ত প্রদীপের আলোর সাথে তুলনা করে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। চাঁদের ক্ষেত্রে কিন্তু তেমনটি করা হয়নি। এখানে এটাই বোঝানো হয়েছে যে, চাঁদের আলোর প্রকারটা এমনি যে তা অন্য কারও অর্থাৎ সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়। ফলে (৭১:১৬) উজ্জ্বলতা প্রাপ্ত হয় এবং অন্যকে আলো প্রদান করে। সুতরাং এ থেকেই বুঝে নেয়া যায় যে, পবিত্র কোরআন নাযিলের যুগে যারা এই গ্রন্থটি বুঝে পড়ত তারা নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহের উজ্জ্বলতার কারণ হিসেবে যে মৌলিক জ্ঞান রাখত, এখনও যারা বুঝে পড়ে তারা সেই জ্ঞানই পায়। এরপর কেউ যদি আরও বেশী জানবার জন্য এর সঙ্গে বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্যগুলো অধ্যায়ন করতে চান, তবে তা তিনি করতে পারেন। এতে তার ইমান বাড়বে বৈ কমবে না।
জ্ঞানগর্ভ গ্রন্থ আল-কোরআন নিছক কোন বিজ্ঞানের বই নয়, বরং একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। তাই এখানে মূলত জীবন পরিচালনার বিধিগুলোকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞানের মৌলিক তথ্যগুলোকে সংপ্তিভাবে পেশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সাধারণ পাঠকসমাজকে সৃষ্টি-জগৎ সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, অপরদিকে তেমনি জ্ঞানী ও চিন্তাশীল স¤প্রদায়কে স্রষ্টার সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করার জন্য উদ্ভুদ্ধ করা হয়েছে। মহান স্রষ্টা তাঁর প্রেরিত মহাগ্রন্থে ধীরে সুস্থে জ্ঞানদানের ব্যবস্থা করেছেন। একটি বিষয়কে প্রথমত সবার জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারপর অন্য স্থানে অর্থাৎ অন্য কোন সূরায় সেই বিষয় সম্পর্কে ধীরে ধীরে গভীর তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কোন একটি বিষয় সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক যখন সেই বিষয়টিকে খোঁজার জন্য এই গ্রন্থখানা পড়তে শুরু করে, তখন আপনা আপনিভাবে অন্য অনেক বিষয় তার চোখে পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সে তা পড়তে উদ্দোগী হয়। এভাবে একটি বিষয়ের সাথে সাথে অন্যান্য বিষয় সম্পর্কেও সে জানতে শুরু করে এবং তার জানার আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলে। মহান আল্লাহ ধৈর্যশীল ও সত্যান্বেষীদেরকে এভাবেই পরীক্ষা করেন ও সরল পথ দেখান। শেষ পর্যন্ত যারা বিশ্বাসে অটল থাকতে পারে, তারা সফলকাম হয়। ইহকাল ও পরকালে শান্তি পায়।
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mahfuzhappy/29030774
Followers
ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!
এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।
গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”
মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”
“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”
“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”
ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–
· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন
আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।
আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!
আপনি ঠকবেন না।
আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?
যোগাযোগঃ
Muhmmad Anwarul Hoque Khan
Email: mahkbd@gmail.com
Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657
আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।
No comments:
Post a Comment