Saturday, September 3, 2011

মিল্কিওয়েতেই হীরক গ্রহ!


সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতেই রয়েছে এমন একটি গ্রহ যেটি আস্ত একখণ্ড হীরা। গবেষকরা বলছেন, এটিই সম্ভবত এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে বড়ো পাথর বা হীরকখন্ড। খবর ডেইলি মেইল-এর।

ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানচেস্টার-এর গবেষকরা এই হীরার তৈরি গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন। এটি পৃথিবী থেকে ৪ হাজার আলোকবর্ষ দূরের সার্পেন বা সর্পিল নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত।

গবেষকরা জানিয়েছেন, গ্রহটি আকারে পৃথিবী থেকে ৫ গুণ বড় এবং ঘনত্বে প্রায় বৃহস্পতি গ্রহের সমান। এটি মুলত অক্সিজেন এবং কার্বন দিয়ে তৈরী।

অস্ট্রেলিয়া, জার্মানী, ইটালি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা সম্মিলিতভাবে এ গ্রহটির খোঁজ পেয়েছেন। এজন্য ব্যবহার করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার একটি রেডিও টেলিস্কোপ, যুক্তরাজ্যের একটি রেডিও টেলিস্কোপ এবং হাওয়াই এর একটি টেলিস্কোপ।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে।

গবেষকরা বলছেন, হীরার এ গ্রহটি একটি পালসারকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। পালসার মূলত ছোট আকারের তারা যেগুলো ঘুরতে পারে। পালসারের পরিধি হয় ১২ মাইল। এগুলি থেকে রেডিও তরঙ্গ বের হয়। আর এ তরঙ্গ বিশ্লেষণ করেই গবেষকরা এ হীরক গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন।

গবেষকরা এ পালসারটির নাম দিয়েছেন ‘পিএসআর জে ১৭১৯-১৪৩৮।’

গবেষকরা আরো জানিয়েছেন, ‘পিএসআর জে ১৭১৯-১৪৩৮ নামের এ পালসারটিকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা হীরার গ্রহটি হয়তো কোনো মৃত পালসারেরই পরিবর্তিত রূপ।

No comments:

Post a Comment

Followers

ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!

এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।

গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”

মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”

“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”

“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”

ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–

· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।

আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!

আপনি ঠকবেন না।

আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?

যোগাযোগঃ

Muhmmad Anwarul Hoque Khan

Email: mahkbd@gmail.com

Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657


আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।