Tuesday, September 13, 2011

ঈশ্বর কণার সমাধান মিলবে ৩০ সেপ্টেম্বর!

ঈশ্বর কণা অস্তিত্বশীল নাকি অস্তিত্বহীন এ প্রশ্নের জবাব মিলতে পারে সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, ঈশ্বর কণা বিষয়ে পরিষ্কারভাবে বলার মতো তথ্য তাদের কাছে চলতি মাসের শেষ নাগাদ চলে আসবে। তাই সম্ভাব্য ৩০ সেপ্টেম্বরেই জানা যাবে মহাবিশ্ব তৈরির উপাদানটির খোঁজখবর কি মিলেছে। খবর রয়টার্স-এর।
ঈশ্বর কণা অস্তিত্বশীল নাকি অস্তিত্বহীন এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্যই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি গবেষকরা। একবার খবর রটেছিলো, ঈশ্বর কণার খোঁজ পাওয়া গেছে। কিন্তু তা ছিলো নিছকই গুজব। সে সময় সার্ন-এর গবেষকরা এ কণার অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে, সম্প্রতিই গবেষকরা ঠিক উল্টো তথ্য জানিয়ে বলেছেন, ঈশ্বর কণার কোনো অস্তিত্বই নেই। এ দুই মতের গবেষকদের টানাপোড়েনের মধ্যেই চলতি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মুখ খোলার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মিল্যাব রিসার্চ সেন্টারের গবেষকরা। উল্লেখ্য, ফার্মিল্যাব রিসার্চ সেন্টারে গবেষকরা সার্নের তৈরি লার্জ হার্ডন কোলাইডারের মতোই টেভাট্রন কোলাইডারে ঈশ্বর কণার খোঁজ করছিলেন। জুলাই মাসে গবেষকরা বলেছিলেন, ‘হয়তো মাহেন্দ্রক্ষণ খুব কাছেই। আমরা শিগগিরই সুসংবাদ দেবো’। ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সুইস-ফ্রেঞ্চ সীমান্তে মাটির নীচে অবস্থিত লার্জ হার্ডন কোলাইডারে যে বিগ ব্যাং ঘটানো হয়েছে তারই ফল বিশ্লেষণ করে এ কণার অস্তিত্ব পাওয়া যাবে বলে গবেষকরা কাজ করছেন । স্কটল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস এর নামে নামকরণ করা হিগস বোসন কণাটি এখনো অনাবিষ্কৃত। তিনি ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসাবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। আর যার ফলে সম্ভব হয় এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির। এ কণাটিই ঈশ্বর কণা নামে পরিচিতি পায়। কীভাবে পদার্থ তৈরি হয় সে বিষয়টি জানতে এই কণার খোঁজে জেনেভার নিকটস্থ ভূগর্ভে ২০১০ সালে মিনি বিগ ব্যাং ঘটিয়েছিলেন গবেষকরা।

No comments:

Post a Comment

Followers

ছোট্ট একটি আইডিয়া আপনাকে কোটিপতি করে দিতে পারে !!!

এক লোক লেটেস্ট মডেলের একটা গাড়ি চালিয়ে দুর্গম এক এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাত তার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। সে খুব চেষ্টা করল কিন্তু গাড়ি ঠিক করতে পারল না। ঠিক তখন কাছাকাছি একটা গ্যারেজ তার নজরে পড়ল। সেখানে খুব সাদামাটা এক মেকানিক পাওয়া গেল। গাড়িওয়ালা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি আমার গাড়িটা ঠিক করতে পারবে?” মেকানিক গাড়ির ইঞ্জিন কভার তুলে বলল, “পাড়ব।” তারপর মেকানিক তার হাতুড়ি দিয়ে একটা স্ক্রুর উপর গুনে গুনে ৬টা বাড়ি মেরে গাড়িওয়ালাকে বলল, “দেখেন, ঠিক হয়েছে কিনা?” গাড়িওয়ালা অবিশ্বাসের চোখে মেকানিকের দিকে তাকাল। তারপর স্টার্ট দিয়ে দেখল, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।

গাড়িওয়ালার চোখে – মুখে বিস্ময়! বললেন, “মজুরী কত?”

মেকানিক বলল, “১০০ ডলার।”

“৬টা বাড়ির জন্য ১০০ ডলার! এটা তো ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। তোমার মাথা ঠিক আছে?”

“হ্যাঁ স্যার, ৬টা বাড়ির জন্য ১ ডলারের বেশি হবার কথা না। বাকি ৯৯ ডলার হল কোন জায়গাতে বাড়ি মারলে আপনার গাড়ি স্টার্ট নিবে সেটা বুজতে পারার জন্য, জানার জন্য।”

ঠিক উপরের গল্পের মত আমি আপনাকে এমন একটি আইডিয়া দিতে পারি যার মাধ্যমে এককালীন মাত্র–

· => ৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ১৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ২০ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

· => ৪০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫ বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক হতে পারেন

আমি আপনাকে কোন এমএলএম কোম্পানিতে কিংবা জমিতে বিনিয়োগ করতে কিংবা আমাকে টাকা দিতে বলব না কিংবা আপনার টাকা নিয়ে কেউ উধাও হয়ে যাবে এমন কোথাও বিনিয়োগ করতে বলব না। আমি শুধু আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব যে কোথায় আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে? কিভাবে বিনিয়োগ করতে হবে? শুধু বিনিয়োগের আইডিয়াটা আপনাকে দিব। বাদবাকি কাজ আপনিই করতে পারবেন। আইডিয়াটা জানার পর আপনি নিজেই বলবেন যে, “হ্যাঁ এটা আসলেই সম্ভব!” আমার আইডিয়া ব্যবহার করতে আপনাকে দিনে ১ মিনিটও সময় দিতে হবে না।

আপনি যদি কোটি টাকার মালিক হতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমার আইডিয়া ব্যবহার করে আপনি যে নির্ধারিত বছরে ন্যূনতম ১ কোটি টাকার মালিক ইনশাল্লাহ হবেন সে সম্পর্কে সাহস নিয়ে আমি বলছি, আমি ১০০ টাকার ননজুডিসারি স্ট্যাম্পে লিখিত দিব, আমি এতটাই নিশ্চিত!

আপনি ঠকবেন না।

আপনার যে যোগ্যতা থাকতে হবেঃ ধৈর্য, ব্যাংক ইন্টারেস্ট সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান, বয়স ন্যূনতম ২০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম ডিগ্রী স্টুডেন্ট আর সাহস করে কিছু করে ফেলার মানসিকতা যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়া আপনার জন্য। কি সাহস আছে?

যোগাযোগঃ

Muhmmad Anwarul Hoque Khan

Email: mahkbd@gmail.com

Linkedin: http://bd.linkedin.com/pub/muhammad-anwarul-hoq-khan/33/503/657


আমি আমার পুরো প্রোফাইল আপনাদের দিয়ে দিলাম। মনে রাখবেন, সৎ ভাবে দ্রুত বড়লোক হবার কোন পথ নাই। আমার আইডিয়া অনুযায়ী আপনার দরকার হবে শুধু ধৈর্য আর কিছুই না।